২০১৯ সাল থেকে ace 44 বাংলাদেশের লক্ষাধিক খেলোয়াড়ের বিশ্বাস অর্জন করে আসছে। নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও মানসম্পন্ন গেমিং অভিজ্ঞতাই আমাদের মূল পরিচয়।
ace 44-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সহজ উপলব্ধি থেকে — বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম দরকার যেটা তাদের ভাষায় কথা বলে, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতি বোঝে এবং তাদের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে সম্মান করে।
২০১৯ সালে ace 44 যখন যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের বাজার অনেকটাই অপরিপক্ক ছিল। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল ইংরেজি বা হিন্দিতে, পেমেন্টের ক্ষেত্রে bKash বা Nagad-এর কোনো সুবিধা ছিল না। ace 44 সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে।
আজ ace 44 বাংলাদেশের অন্যতম বড় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী থেকে সিলেট — দেশের প্রতিটি কোণের খেলোয়াড়রা ace 44-এ নিয়মিত সময় কাটান। এই বিশ্বাসটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
আমাদের লক্ষ্য কখনো শুধু একটি গেমিং সাইট চালানো ছিল না। লক্ষ্য ছিল এমন একটি জায়গা তৈরি করা যেখানে বাংলাদেশের মানুষ নিজেকে ঘরের মতো অনুভব করবেন।
ace 44 শুধু একটি গেমিং সাইট নয় — এটা একটি সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা
ace 44-এর মিশন একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়কে একটি নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দময় গেমিং পরিবেশ দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি যে দায়িত্বশীল গেমিং এবং খেলার আনন্দ একসাথে চলতে পারে।
ace 44 কখনো মুনাফার জন্য খেলোয়াড়ের স্বার্থ বিসর্জন দেয় না। প্রতিটি সিদ্ধান্তে আমরা জিজ্ঞেস করি — "এটা কি আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য ভালো?"। এই প্রশ্নটাই ace 44-এর পথ দেখায়।
অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ একটি দল ace 44-কে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
ace 44-এর পুরো টিম বাংলাদেশের বাজার ও খেলোয়াড়দের চাহিদা গভীরভাবে বোঝেন। এই স্থানীয় জ্ঞানই ace 44-কে অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে।
ace 44 বিশ্বাস করে যে গেমিং আনন্দের জন্য, চাপের জন্য নয়। সেই কারণেই আমরা খেলোয়াড়দের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার সরঞ্জাম দিই।
ace 44-এ যেকোনো খেলোয়াড় যেকোনো সময় ডিপোজিট লিমিট সেট করতে পারেন, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট বিরতি দিতে পারেন, অথবা স্থায়ী সেলফ-এক্সক্লুশন নিতে পারেন। এই সুবিধাগুলো পেতে কাউকে কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় না।
দায়িত্বশীল গেমিং জানুন